ঢাকা, শুক্রবার ২৩ এপ্রিল ২১ || ৯ বৈশাখ ১৪২৮    Banglarpratidin.com

সিডিউলের মাধ্যমে ভাবখালী বাজারের খেয়াঘাট ইজারা চায় ভুক্তভোগীরা

প্রকাশিত: ২৩:২৭ ২২ মার্চ ২১

সিডিউলের মাধ্যমে ভাবখালী বাজারের খেয়াঘাট ইজারা চায় ভুক্তভোগীরা

সিডিউলের মাধ্যমে ভাবখালী বাজারের খেয়াঘাট ইজারা চায় ভুক্তভোগীরা

ব্রহ্মপুত্রের ভাবখালী পুরাতন বাজারের খেয়াঘাট সিডিউল ছাড়াই মৌখিকভাবে গোপনে ইজারা দেওয়ার পায়তারা চলছে বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে। এর আগের বছরেও একই কায়দায় কঠোর গোপনীয়তায় একই ইজারাদারকেই ঘাটটি ইজারা দেয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান না করে মৌখিক ভাবে ৪লক্ষাধিক টাকায় ভাবখালী পুরাতন বাজার খেয়া ঘাটটি ইজারা দেয়া হলেও প্রশাসন ও স্থানীয় জনগনকে মাত্র ৪০-৫০ হাজার টাকার কথা অবগত করা হয়। । গত দুই বছর ধরেই চলছে এ প্রক্রিয়া। আর এই পক্রিয়ার কারণে বেশী টাকা মুল্যে সিডিউলের মাধ্যমে ফেরিঘাটটি নিতে আগ্রহী প্রার্থী থাকলেও তারা বঞ্চিত হচ্ছে। এতে করে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে লক্ষ-লক্ষ টাকা। বিধি অনুযায়ী, সিল টেন্ডার আহ্বানের মাধ্যমে ইজারা প্রদান করতে হবে। এ জন্য অন্তত পনেরো দিন আগে দরপত্র প্রচার করার কথা। সর্বোচ্চ দর পূর্ববর্তী তিন বছরের গড় মূল্য এবং সম্ভাব্য মূল্যের সমান হবে। এর কম হলে আরো তিন বার দরপত্র আহ্বান করতে হবে। তাতেও কাঙ্খিত মূল্য না পেলে দরপত্র কমিটি প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু এই ফেরিঘাট ইজারায় এ সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনাই মানেনি ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদ। গোপন সমঝোতার মাধ্যমে প্রতি বছরই মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। এ কারণে গত কয়েক বছরে লক্ষ-লক্ষ টাকা রাজস্ব হারিয়েছে সরকার ।হাতেম আলী,সুরুজ আলী,লিয়াকত আলী সহ আরো কয়েকজন আগ্রহী জানান- প্রতিবছরই আত্মীয়তার সুত্র ধরে একজনকেই খেয়াঘাট ইজারা দেয়া হয়। তারা বলেন-এ বছর খেয়া ঘাটটির ইজারা সময় হয়েছে,আমরাও ঘাটটি পেতে আবেদন করেছি,তবে ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদ পূর্বের কৌশলে আবারো গোপনে ইজারা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের দাবী প্রকাশ্যে একটি অংশগ্রহণ মেলক ইজারায় যার নেওয়ার ক্ষমতা আছে সে নিবে,তাতেও তাদের কোন আপত্তি থাকবেনা। তবে প্রকাশ্যে জনসম্মুখে ইজারা হউক এটাই দাবী করেছেন। তাদের সাথে একমত পোষণ করেছেন আরো স্থানীয় এবং দরপত্র ক্রয়ে আগ্রহীরাও। স্থানীয় একাধিক মানুষের অভিযোগ-ঘাটটি প্রতি বছর ৪লক্ষাধিক টাকায় ইজারা দেওয়া হয়, তবে বিধি অনুসারে এত টাকা ইজারা নিতে ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা নেই বলে তারা ইজারার প্রাপ্য টাকা ভিন্ন কৌশলে হজম করে উপজেলা প্রশাসনকে স্বল্পমূল্য বুঝিয়ে দেয়। স্থানীদের দাবী ঘাটটি উপজেলা প্রশাসনের আওতায় নিয়ে সিডিউলের মাধ্যমে প্রকাশ্যে ইজারা দিলে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব আদায় হবে,অন্যদিকে ন্যায্য মুল্যে যে ইজারা পাওয়ার সর্বোচ্চ দরদাতা সেই পাবে খেয়াঘাট। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করছেন আগ্রহী প্রার্থীরা।