ঢাকা, শনিবার ২১ মে ২২ || ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯    Banglarpratidin.com

সাংবাদিককে ভূয়া শিক্ষানবীশ আইনজীবি আশরাফুল আলম রাসেল এর প্রাননাশের হুমকি

প্রকাশিত: ১৯:৪৬ ০৬ মে ২২

সাংবাদিককে ভূয়া শিক্ষানবীশ আইনজীবি  আশরাফুল আলম রাসেল এর প্রাননাশের হুমকি

সাংবাদিককে ভূয়া শিক্ষানবীশ আইনজীবি আশরাফুল আলম রাসেল এর প্রাননাশের হুমকি

স্টাফ রির্পোটার: গণধোলাইয়ে আহত ময়মনসিংহ জজকোর্টের শিক্ষানবীশ আইনজীবি পরিচয়দানকারী আশরাফুল আলম রাসেল এই শিরোনামে বেশ কয়েকটি অনলাইনে নিউজ প্রচার করায় দৈনিক আমার সমাচার ডট কমের সম্পাদক এমদাদুল ইসলামকে প্রাননাশের হুমকি দিয়েছে ভূয়া শিক্ষানবীশ আইনজীবি আশরাফুল আলম রাসেল। শুক্রবার (৬ মে ২০২২) দুপুর ১.১৫ ঘটিকায় ০১৯১১৮৬৪৩৮১ নম্বর থেকে কল করে প্রাননাশের হুমকি দেন তিনি যা মোবাইল ফোনে রেকর্ড রয়েছে। জানা যায়, রাসেল নেশাগ্রস্ত, মাতাল, বেয়াদব, ও হিং¯্র প্রকৃতির লোক। তার দ্বারা সাধারণ মানুষ প্রায়শই বিভিন্ন ভাবে প্রাননাশসহ ক্ষতির স্বীকার হয়। তার নামে এধরনের ঘটনায় আদালতে মামলাও রয়েছে। উল্লেখ্য ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার কামারগাওঁ ইউনিয়নের উলামাকান্দি গ্রামে গত বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয় এলাকাবাসি গণধোলাই দিয়ে আহত করেছে আশরাফুল আলম রাসেল নামে এক শিক্ষানবীশ পরিচয়দানকারী আইনজীবিকে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। সে উলামাকান্দি গ্রামের রমজান বিএসসির ছেলে। স্থানীয়রা জানান, রাসেল দুষ্টু প্রকৃতির ছেলে। তার অত্যাচারে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। সে ময়মনসিংহ জজকোর্টে প্রেকটিস করে (ভূয়া পরিচয়দানকারী)। আর সেই সুবাধে সাধারণ মানুষের ওপর অন্যায় অত্যাচার করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার রাতে উলামাকান্দি গ্রামের তারা মিয়া নামে একজনকে মেরে আহত করে রাসেল। তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিৎিসাধীন রয়েছে। তারই জের ধরে ওইদিন রাতে উত্তেজিত জনতা রাসেলকে গণধোলাই দিয়ে আহত করে। সে বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। রাসেল উকিল ভবনের ১৪০/৫৭ নং রোমে এডভোকেট আলহাজ্ব এম জুবেদ আলী (সদ্য প্রয়াত) উনার অধীনে প্রেকটিস করেন। যা তার ফেসবুক ওয়ালের মাধ্যমে জানা যায়। রাসেল জিলা আইনজীবী সমিতি, ময়মনসিংহ। রেজি নং ২০৮৯/২০১৮ উল্লেখ করেও স্টেটাস দিয়ে তার ফেসবুক টাইমলাইনে রেখে দেন। এব্যাপারে তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল খায়ের সোহেল জানান, এব্যাপারে আমরা কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ময়মনসিংহ জেলা বার ভবনের সাধারণ সম্পাদক এস.আই.এম মঞ্জুরুল হক বাচ্চু বলেন, এই নামে আমাদের বারে কোন শিক্ষানবীশ আইনজীবি নেই। তাছাড়া তিনি যার অধীনে কাজ করেন বলেছেন তিনিইতো ৮/১০ বছর ধরে অসুস্থ অবস্থায় গত কযেকদিন আগে মৃত্যুবরণ করেন। একজন শিক্ষানবীশ এর মেয়াদকাল ১/২ বছর হয়ে থাকে। তাছাড়া যারা শিক্ষানবীশ আইনজীবি তাদের আমরা কার্ড দিয়ে থাকি। সে তো কোন কার্ড দেখাতে পারবেনা।


Comments (0)


বিবিধ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
জনপ্রিয়