ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর ২০ || ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭    Banglarpratidin.com

ময়মনসিংহে শিশু সাজ্জাদের মৃত্যুর বিচার চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন

মোঃ শরীফ

প্রকাশিত: ২২:২৪ ০৮ অক্টোবর ২০

ময়মনসিংহে শিশু সাজ্জাদের মৃত্যুর বিচার চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন

ময়মনসিংহে শিশু সাজ্জাদের মৃত্যুর বিচার চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন

ময়মনসিংহ সদরের ৬ নং চর ঈশ্বরদ্বিয়া ইউনিয়নের লক্ষীপুরে গ্রামের ৭ বছরের শিশু সাজ্জাদ মিয়া।১ লা অক্টোবর ২০২০ ইং তারিখ বৃহস্পতিবার শিশু সাজ্জাদের পেটের ব্যাথা জনিত কারণে চরপাড়া ব্রাহ্মপল্লী এলাকার রেজিয়া ক্লিনিকের মালিক হাসানুজ্জামানের সাথে কথা হয়। তিনি টাকা রেডি করে ছেলেকে নিয়ে তার ক্লিনিকে দ্রুত ভর্তি হওয়ার কথা বলেন। এসময় শিশু সাজ্জাদের বিধবা মা টাকা পয়সা নিয়ে আসে ক্লিনিকে ছেলে সুস্থ করে তুলতে,ক্লিনিকের মালিক হাসানুজ্জামান ও পরিচালক তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। ১১০০০ (এগার) হাজার টাকা অপারেশন করতে হবে বলে সাজ্জাদের মার কাছ থেকে নেওয়া হয়। অপারেশনে অংশ নেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ডাক্তার সার্জন ডিসি বর্মন ও অজ্ঞানের ডাক্তার টিকে সাহা এবং ডাক্তার প্রীতি রঞ্জন রায়। সাজ্জাদের মা ও আত্নীয় স্বজনরা বলেন,ডাক্তাররা তাড়াহুড়া করে অপারেশন করে চলে যাওয়ার পর থেকে শিশু সাজ্জাদ শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। এ অবস্থা দেখে মা ও আত্নীয় স্বজনরা ক্লিনিকের লোকজনের সাহায্যে চাইলে কেউ আমাদের সাহায্যে করেনি, ক্লিনিকের মালিক হাসানুজ্জামান ও পরিচালক তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনকে বললে সে বলে এর দায়বার আমরা নিতে পারবো না। এ কথা বলে শিশু সাজ্জাদকে বের করে দেন। তারপর ময়মনসিংহ মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়, আর ওখানে কর্তব্যরত ডাক্তার দেরিতে সাজ্জাদকে নিয়ে আসাই বেঁচে নেই বলে জানান। শিশু সাজ্জাদের বিধবা মা সাংবাদিকদেরকে বলেন, আমি গরীব, আমি বিধবা, আমার দুই ছেলে নিয়ে সংসার ছিলো। মানুষের বাসায় কাজ করে আমার সংসার চলতো, ছেলে অপারেশনের টাকা ঋণ করে এনেছি। ছেলে মারা গেলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ আমাদের সহযোগিতা এবং শান্তনা দেয়নি। উল্টো ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি করলে করলে আমাদের আরো বড় ক্ষতি করবে বলে হুমকি দেয়।ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করলে ছেলের লাশ কাটা ছেড়া করতে হবে বলে,তাই তাড়াতাড়ি দাফন করার কথা বলেন। শিশু মৃত সাজ্জাদের মা বলেন, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তারের অবহেলার কারণে অকালে আমার ছেলে মৃত্যু হয়েছে।আমি আমার ছেলের মৃত্যুর বিচার চাই।