ঢাকা, শনিবার ২১ মে ২২ || ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯    Banglarpratidin.com

ময়মনসিংহে ভাবখালীসহ কয়েকটি এলাকায় বিদুৎ এর লোডশেডিং এ জনজীবন অতিষ্ঠ

প্রকাশিত: ২১:৩৪ ১১ এপ্রিল ২২

ময়মনসিংহে ভাবখালীসহ কয়েকটি এলাকায় বিদুৎ এর লোডশেডিং এ জনজীবন অতিষ্ঠ

ময়মনসিংহে ভাবখালীসহ কয়েকটি এলাকায় বিদুৎ এর লোডশেডিং এ জনজীবন অতিষ্ঠ

।। ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহ সদরে রমজান মাসে ইফতার, তারাবি ও সেহেরীর সময় বিদ্যুৎতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে রোজাদাররা। প্রথম রোজা থেকেই ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। দিনে রাতে ২০ থেকে ৩০ বার বিদুৎ যাওয়া আসা করে। অসনীয় তাপমাত্রা ও ভ্যাপসা গরমে দূর্ভোগে পড়েছে এখানকার মানুষজন। এসমস্যায় সবচেয়ে বেশী অতিষ্ঠ হয়েছেন বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর আওতায়ভূক্ত এলাকার লোকজন। এই লোডশেডিং নিরসনে স্থানীয় বিদুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের প্রকৌশল শাখা নিচ্ছেনা কোনই পদক্ষেপ। মোঠুফোনে কল দিয়ে জানতে চাইলে জানানো হয় বিভিন্ন অজুহাত। সরকার জনদুর্ভোগ লাগবে শতভাগ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা করলেও ময়মনসিংহে অদক্ষ কিছু বিদ্যুৎ কর্মকর্তার গাফিলতিতে ভুক্তভুগি সাধারন মানুষের মধ্যে সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হওয়ার পাশাপাশি চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের আওতায় ভূক্ত এলাকা কালির বাজার, ভসবখালী,সুতিযাখালীসহ কয়েকটি এলাকায় ঘনঘন লোডশেডিং,লো ভোল্টেজ ও প্রায় সময়ই বিদ্যুৎ না থাকায় আবাসিক গ্রাহকরা ভোগান্তির পাশাপাশি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে ক্ষতির সম্মুখীন। রমজানে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি বেড়েছে কয়েকগুন। গত কয়েকদিন ধরে দিনে রাতে গড়ে প্রায় ৮/১০ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকেনা। দিনের বেলায় গড়ে ৩/৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকলেও প্রায় ২০/২৫ বার লোড শেডিং হয়। রাতের বেলায় বিদ্যুৎ সুবিধা পাওয়া যায় ২/৩ ঘন্টা। বিশেষ করে ইফতার,সেহরী ও তারাবি নামাজের সময় বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভোগান্তির শেষ নেই রোজাদারদের। অপরদিকে ঘনঘন লোডশেডিং ও লো ভোল্টেজের কারনে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ফ্রিজ,টিভি,ফ্যানসহ নানা ইলেকট্রিক জিনিসপত্র বিকল হচ্ছে। ভাবখালী ও কাঁঠালের কালীর বাজার একাধিক ব্যবসায়ী জানান,ঈদের বাজারে মানুষের সমাগম বেশি। কিন্তু বিদ্যুত না থাকায় সারাদিন প্রচন্ড গরমে অস্থির থাকতে হয়। একবার চলে গেলে আসার কোন খবর থাকেনা। এমন অবস্থা চলতে থাকলে ঈদ বাজারে ব্যবসার ক্ষতির মুখে পড়বো আমরা। শিক্ষার্থীরা জানান, ঘনঘন লোডশেডিং এর কারনে ভ্যাপসা গরমে ঠিকমত পড়ালেখা করতে পারছিনা। এতে আমাদের পড়ালেখায় দারুন ক্ষতি হচ্ছে। আমরা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবী জানান ভুক্তভুগি শিক্ষার্থীরা। সুতিয়াখালী এলাকার কয়েকজন বলেন, দিনে অন্তত ২০/৩০ বার বিদ্যুৎ আসা যাওয়া করে। বিদ্যুত না থাকায় প্রচন্ড গরমে রোযাদারসহ শিশু ও বৃদ্ধদের দারুন কষ্ট হচ্ছে বলে জানান তারা। মিল কারখানা কয়েকজন মালিকের সাথে কথা হলে তারা বলেন,সামনে ঈদ, কিন্তু ঘনঘন বিদ্যুৎ আসা যাওয়ার কারনে উৎপাদন দারুনভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কারখানার যন্ত্রপাতি পুড়ে নষ্ট হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চেয়ে ময়মনসিংহ বিদুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাদের মোঠুফোনে কল করলে নেটওয়ার্ক সমস্যায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।


Comments (0)


দৃষ্টি জুড়ে দেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
জনপ্রিয়