ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর ২১ || ৬ কার্তিক ১৪২৮    Banglarpratidin.com

ময়মনসিংহে চেয়ারম্যানের অনিয়ম দূর্নীতির বিরুদ্ধে মেম্বারের অভিযোগ-

প্রকাশিত: ০২:০৮ ০১ অক্টোবর ২১

ময়মনসিংহে চেয়ারম্যানের অনিয়ম দূর্নীতির বিরুদ্ধে মেম্বারের অভিযোগ-

ময়মনসিংহে চেয়ারম্যানের অনিয়ম দূর্নীতির বিরুদ্ধে মেম্বারের অভিযোগ-

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ। ময়মনসিংহের তারাকান্দার বালিখা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম দুদুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়াও ভিজিডি ভিজিএফ কার্ড বিতরনে অর্থ আদায়, প্রধান মন্ত্রীর উপহারের ঘর বিতরনে অর্থ আদায়, নিম্নমানের কাজ করাসহ রেজিষ্ট্রি অফিসের ১% অর্থ বিভিন্ন ভাবে আত্নসাৎ করার একাধিক ঘটনা রয়েছে। এলাকাবাসী এর প্রতিকার চেয়ে মানব বন্ধন ও জেলা প্রশাননে একাধিক অভিযোগ করলে তদন্তকারী অফিসার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক একেএম গালিব খান অভিযোক্তদের সাথে নিয়ে তদন্তে নেমে ভূড়ি ভোজ করে এসেছেন। অভিযোগ পত্রে অভিযোগকারীর ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার থাকলেও তাদের ডাকা হয়নি। ঘটঁনাটি এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। স্থানীয় ইউপি সদস্য সম্প্রতি প্রশাসনের উপর আস্থা রেখে আরো একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, বালিখা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম দুদু অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসূচির প্রকল্পের (ইজিপিপি) শ্রমিকদের টাকা আত্নসাৎ করেছে। গত প্রায় ৫ বছরে বরাদ্দকৃত টি আর , কাবিখা, কাবিটা, এলজি এসপি, জিআর’সহ বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বিপুল পরিমানের টাকা আত্নসাৎ করেছেন। করোনা কালিন বরাদ্দ যথাযত বিতরন নাকরে বরাদ্দ চাউলের বেশীর ভাগ কালো বাজারে বিক্রী করে দিয়েছেন। ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে মলিডাঙ্গা ইয়াকুব মাস্টারের বাড়ির পাশে প্যালাসাইটিং পড়ে যায়। চেয়ারম্যান এর ইট বিক্রী করে দেন। ভালুয়াকান্দা বাজারের পশ্চিমে কালর্ভাট মাস না পেরুতেই ভেঙ্গ যায়। টয়লেট গুলো নির্মানে নিম্ন মানের কাজ করে সিংহভাগ টাকা আত্নসাৎ করেন।পাগলী আলীয়া মাদরাসা সরকারে ২ লাখ টাকা বরাদ্দ থেকে মাত্র ২৫ পাতা টিন ও কিছু পুরাতন টাইলস লাগিয়ে বাকি অর্থ আত্নসাৎ করেছেন। সরকারে দেয়া সেলাই মেশিন গুলোর বেশীর ভাগ হাওয়া হয়ে গেছে। মালিকদের হাজার দেড় হাজার টাকা দিয়েই যায়েজ করে নিয়েছেন। অনিয়মের কারনে ৫ ইউপি সদস্যকে জরিমানা করা হয়। অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের বরাদ্দের বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধি কার্ড পেতেও ভুক্ত ভোগীদের টাকা দিতে হয়েছে। ইউনিয়নের ভূমি ক্রয়-বিক্রয়ের টাকা বিভিন্ন অজুহাতে লুটপাট করা হয়েছে। এসকল প্রকল্পের ব্যর্থতার দ্বায় পিআইও এবং ইউএনও’র উপর বর্তায় বিধায় দফায় দফায় তদন্তের নামে হচ্ছে প্রহশন। এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর। এ ব্যপারে গতকাল একাধিক সাংবাদিক চেয়ারম্যান রেজাউল করিমদুদুর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমিতো এখন ভালোনা, ভালোদের সাথে কথা বলেন। তিনি অনিয়ম সম্পর্কে কিছু বলতে রাজি নন।


Comments (0)