ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২১ || ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭    Banglarpratidin.com

ময়মনসিংহে কর্মসৃজন প্রকল্পে দূর্নীতি ও হরিলুটের অভিযোগ!

বিশেষ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩:০০ ২০ ফেব্রুয়ারি ২১

ময়মনসিংহে কর্মসৃজন প্রকল্পে দূর্নীতি ও হরিলুটের অভিযোগ!

ময়মনসিংহে কর্মসৃজন প্রকল্পে দূর্নীতি ও হরিলুটের অভিযোগ!

সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে তৃণমূল প্রশাসন - ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্হান কর্মসূচি প্রকল্পে ৫৯৪ জন শ্রমিক তালিকাতে দেখালেও, সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পুরো ইউনিয়নে কাজ করেছেন মাত্র ২২৭ জন শ্রমিক! সেই তালিকাও রয়েছে গনমাধ্যমের কাছে,!সরকারী তালিকা অনুযায়ী মাঠে শ্রমিক ছিলোনা ফলে সঠিকভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি! সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ওয়ার্ডে ১.৫ ঘন মিটার মাটি কাটার কথা থাকলেও নাম মাত্র কাজ করে বাস্তবায়ন করা হয়েছে এসব প্রকল্প! প্রতিটি প্রকল্পে একটি করে সাইনবোর্ড ডিসপ্লে করার কথা থাকলেও সাইনবোর্ড ডিসপ্লে করা হয়নি,! অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ৫৯৪ জন শ্রমিকের নামে একাউন্ট খুলে ২২৭ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ করিয়ে, ৫৯৪ জনের নামে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিল উত্তলন করেছেন কতিপয় প্রকল্প সভাপতিরা! যেসব শ্রমিক মাঠে কাজ করেনি সেসব শ্রমিকের নামে একাউন্ট খুলে, নাম মাত্র কিছু বকশিস দিয়ে তাদের ফিঙ্গারের চাপ নিয়ে, হাতিয়ে নেয়া হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা! শ্রমিকের নামে এসব একাউন্ট খুলে, শ্রমিকদের জব কার্ড ভাগাভাগি করে নিয়েছেন কতিপয় ইউপি সচিব ও প্রকল্প সভাপতি রা! হরিলুট করা জব কার্ড ভাগাভাগির কথা স্বীকারও করেছেন কয়েকজন প্রকল্প সভাপতি! হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা! নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, একজন ইউপি সদস্য জানান, দূর্নীতির কৌশল হিসেবে জব কার্ড ভাগাভাগি করে নেয়া হয়েছে, তার মধ্যে ইউপি সচিব তিনি নিজেই নিয়েছেন ১৯ টি জব কার্ড! অবশ্য এসব জব কার্ড ভাগাভাগির কিছু রেকর্ড ফুটেজও রয়েছে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে! স্হানীয় এলাকা বাসী চ্যালেন্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ঘটনাটি যদি প্রশাসন নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নিতো তাহলে এমন দূর্নীতির চিত্র দেখতে হতো না! এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি! তবে স্হানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এসব নীরব দূর্নীতির বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্হা না নিলে সরকারের উন্নয়ন হবে বাধাগ্রস্ত! রাষ্ট্র হবে হুমকির সম্মুখীন!