ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২১ || ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭    Banglarpratidin.com

তারাকান্দায় অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্হান কর্মসূচিতে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১৩:২১ ০২ ফেব্রুয়ারি ২১

তারাকান্দায় অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্হান কর্মসূচিতে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

তারাকান্দায় অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্হান কর্মসূচিতে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বালিখা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ২০২০-২০২১ অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্হান কর্মসূচি ১ম পর্যায় ( ইজিপিপি) প্রকল্পে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে করেন ইউপি সদস্যরা। অভিযোগে জানা গেছে, চলতি ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্হান কর্মসূচি প্রকল্পে চারশত বিরাশী জন শ্রমিক দেখিয়ে, সরেজমিনে মাত্র একশত ষাট জন দিয়ে কাজ করিয়ে, চারশত বিরাশী জন শ্রমিকের নামে ভূয়া একাউন্টের মাধ্যমে পূর্নাঙ্গ বিল পাস করে, সেই অর্থ শ্রমিকদের না দিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করেন কথিত ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম। বালিখা ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ড সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,নাম মাত্র কাজ করা হয়েছে। যদিও এ প্রকল্পে ১.৫ ঘন মিটার মাটি কাটার কথা রয়েছে, তালিকা অনুযায়ী চারশত বিরাশী জন শ্রমিক মাঠে কাজ না করায়,সঠিকভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি বলে মনে করছেন স্হানীয়রা। এদিকে চারশত বিরাশী জন শ্রমিক এর জায়গায় একশত ষাট জন কাজ করলে প্রকল্প কিভাবে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হবে? এমন প্রশ্ন জনমনে! যদিও কথিত ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভূয়া একাউন্ট ব্যবহার করে চারশত বিরাশী জন শ্রমিকের নামে বিল তুলে তিনি নিজেই সেই অর্থ আত্মসাৎ করেন।অবশ্য বালিখা ইউনিয়নের স্হানীয় এলাকাবাসী চেলেন্জ ছুরে দিয়ে বলেন, ভূয়া একাউন্ট ব্যবহার করে যে পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন তা তদন্ত করলেই প্রমাণ মিলবে। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।