ঢাকা, মঙ্গলবার ১৫ জুন ২১ || ১ আষাঢ় ১৪২৮    Banglarpratidin.com

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালের উৎপাত, বিপাকে রোগীরা

শহিদুল ইসলাম খোকন

প্রকাশিত: ১৮:২০ ০৪ জুন ২১

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালের উৎপাত, বিপাকে রোগীরা

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালের উৎপাত, বিপাকে রোগীরা

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালের উৎপাত বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, দালালরা হাসপাতালের আউটডোরে ঢুকে ডাক্তারের চেম্বার থেকে রোগীদের টানা-হেঁচড়া করে স্থানীয় ডায়গনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যান। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বশীলদের কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলেও তারা অভিযোগ করে। মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ৭-৮টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলোজি রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকরা লোক নিয়োগ দিয়ে হাসপাতালের আউটডোরে পাঠায় বলে অভিযোগ। এতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগীরা বের হলে তারা বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাদের নিজস্ব ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও প্যাথলোজিতে নিয়ে যায়।  সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, হাসপাতালের ডাক্তারদের সাথে ডায়াগনস্টিক মালিকের সাথে সম্পর্ক রয়েছে। তাদের আউটডোর মেডিক্যাল অফিসারদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগও রয়েছে। মেডিক্যাল অফিসার নিগার সুলতানা’র চেম্বারে গেলে দেখা যায় দুজন দালাল বসে রয়েছে। তার চেম্বারে টাকার বিনিময় প্রেসক্রিপশন করতে লক্ষ্য করা গেছে। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে দালালরা সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়।  আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার রাজিব কিশোর বনিক বলেন, দালালদেরকে আমরা নিষেধ করা সত্ত্বে ও তারা ঢুকে পড়ে।  উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা গোলাম কাউছার হিমেল বলেন, এ সমস্ত দালালদের কে ধরে থানায় সোপর্দ করেছি। তারপরও তারা এ রকম করছে।  মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মহিউদ্দিন মিয়া বলেন, আমার লোকজন গিয়ে দালালদের কয়েকবার ধরেছে। ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের মালিকদের ও দালালদের হাসপাতালে না যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তারপরও তারা যাচ্ছে। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখবো। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক ও সাবেক মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ.কে.এম মাহাবুবুর রহমান বলেন, মতলব সরকারি হাসপাতালে মহিলা দালালে ভরপুর। আমি যখন দায়িত্বে ছিলাম তখন এমন দালালের উৎপাত ছিলো না।